«

»

Aug 17

BHRC and Bar Council raise concerns over abduction of Bangladeshi lawyer Mir Ahmad Bin Quasem (English and Bangla)

The Bar Council and Bar Human Rights Committee of England and Wales have issued a joint statement today, voicing concern over the abduction of Mir Ahmed Bin Quasem, a lawyer in Bangladesh.

Reports indicate that Mr. Quasem was taken from his home on 9th August by Bangladeshi security forces. No information has been given on where he is being held, by whom or under what suspicion or charge.

Mr. Quasem is a member of the Bar of England and Wales; he is also part of the legal defence team for his father Mir Quasem Ali, the former leader of the Bangladeshi opposition party Jamaat-e-Islami. Mr. Ali is currently appealing his 2014 death sentence to the Bangladesh Supreme Court.

Chairman of the Bar Council of England and Wales Chantal-Aimée Doerries QC said:

“The disappearance of Mir Ahmed Bin Quasem, who is a member of the Honourable Society of Lincoln’s Inn, highlights the dangers faced by lawyers in jurisdictions where the rule of law is under threat. Lawyers play a crucial role in ensuring the administration of justice and must be able to represent their clients free from physical attack and fear of persecution.

We call on the Bangladeshi Government to investigate these reports and disclose the whereabouts and legal status of Mr. Quasem as a matter of urgency.”

Chairwoman of the Bar Human Rights Committee Kirsty Brimelow QC said:

“BHRC is extremely concerned by reports that Mir Ahmed Bin Quasem has been detained by security forces, especially given his position as defence lawyer in his father’s legal case. This is in the context of an ongoing clampdown on human rights defenders, lawyers and journalists in Bangladesh.

Lawyers must be free to represent their clients without fear of intimidation or violence, and states must act to ensure the safety of lawyers and human rights defenders.

BHRC calls upon Bangladesh to provide urgent confirmation of Mr. Quasem’s safety and whereabouts, and to either charge him with a specific crime for which there is credible evidence, or immediately release him.

Furthermore, Bangladesh must comply with its international law obligations and provide clear proposals on strengthening protections for lawyers, judges and human rights defenders. Accountability is required over the abductions of Mr. Quasem and others”

Link: Press Release

মীর কাশেম আলীর ছেলে ‘অপহরণে’ ইংল্যান্ড বারের উদ্বেগ

যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসির দ-প্রাপ্ত মীর কাশেম আলীর ছেলে আইনজীবী মীর আহমেদ বিন কাশেমকে ‘অপহরণে’র ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ডের বার কাউন্সিল ও বার হিউম্যানস রাইটস কমিশন(বিএইচআরসি )। গত মঙ্গলবার বার কাউন্সিলের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এ আন্তর্জাতিক সংগঠনদ্বয় বিশ্বব্যাপী আইনজীবী, বিচারক ও মানবাধিকার রক্ষাকর্মীদের মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে।

বিবৃতিতে জরুরিভিত্তিতে আহমেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও তাকে কোথায় রাখা হয়েছে তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের প্রতি আহবান জানিয়েছে বিএইচআরসি। তাকে বিশেষ কোন অপরাধের গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে হয় অভিযুক্ত করতে অথবা অবিলম্বে মুক্তি দিতে আহবান জানিয়েছে সংগঠনটি।

মীর আহমেদ বিন কাশেম ‘অনারেবল সোসাইটি অব লিঙ্কনস ইন’ এবং ইংল্যান্ড ও ওয়েলস বারের একজন সদস্য। যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করে, মীর আহমেদ নিখোঁজের ঘটনা বিচার ব্যবস্থায় আইনজীবীরা যে ভয়াবহতা মোকাবিলা করছে তা তুলে ধরছে। বাংলাদেশে আইনের শাসন হুমকির মুখে রয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।

সংগঠনদ্বয় বলছে, আইনজীবীরা ন্যায়শাসন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তারা যাতে শারীরিক হামলা ও নিপীড়নের শঙ্কা থেকে মুক্ত হয়ে গ্রাহকদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে তাদের সেই সক্ষমতা অবশ্যই থাকতে হবে।

‘আমরা বাংলাদেশ সরকারকে এসব খবর তদন্ত করার আহবান জানাচ্ছি এবং বিষয়টি গুরুতর হওয়ায় আহমেদ কোথায় আছেন এবং তার আইনি অবস্থান প্রকাশ করার আহবান জানাচ্ছি।’

আহমেদ বিন কাশেম নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন এমন খবরে অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএইচআরসি। বিশেষ করে বাবার বিরদ্ধে মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবী হওয়ায় এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। এটাকে বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষাকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের ওপর চলমান দমন প্রক্রিয়া বলে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়াও বিবৃতিতে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবোধকতা বাস্তবায়ন করতে এবং আইনজীবী, বিচারক, মানবধীকার রক্ষাকর্মীদের নিরাপত্তা শক্তিশালী করার পরিস্কার প্রস্তাব প্রদান করতে আহবান জানানো হয়েছে।

জানা যায়, গত ৯ আগস্ট বাসার সামনে থেকে মি. আহমেদকে তুলে নিয়ে যায় নিরাপত্তা বাহিনী। তাকে কোথায়, কারা, অথবা কোন সন্দেহে বা অভিযোগে আটকে রাখা হয়েছে তার কোন তথ্য দেয়া হয়নি। বার কাউন্সিল ডট অর্গ।

Link: BD Today